বাচ্চাদের পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে? বিস্তারিত জানুন
বাচ্চাদের পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে? (ই-পাসপোর্ট ২০২৬)
আস সালামু আলাইকুম ট্রিকবিডিফ্রি.কম TrickBD Free ( TrickBDFree.com ) এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো বাচ্চাদের পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে বিস্তারিত আলোচনা।
বাচ্চাদের পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
সন্তানকে নিয়ে বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? তাহলে সবার আগে প্রয়োজন তার পাসপোর্ট। বর্তমানে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট (e-Passport) চালু হওয়ায় শিশুদের পাসপোর্ট করা অনেক সহজ হয়েছে। তবে ১৮ বছরের নিচে যাদের বয়স, তাদের আবেদনের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সন্তানের অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের সঠিক তথ্য থাকা বাধ্যতামূলক।
আজকের ব্লগে আমরা জানাবো শিশুদের পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা এবং কিছু বিশেষ নিয়ম।
শিশুদের পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা
১. প্রধান কাগজপত্র
অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC): বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন অবশ্যই ইংরেজি ভার্সনে অনলাইন করা থাকতে হবে।
বাবা ও মায়ের এনআইডি (NID): বাবা এবং মা—উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং মূল কপি সাথে রাখতে হবে।
পাসপোর্ট সাইজ ছবি: * ৬ বছরের নিচের বাচ্চাদের জন্য: ল্যাবে প্রিন্ট করা ৩আর (3R) সাইজের ছবি (ধূসর ব্যাকগ্রাউন্ডসহ) প্রয়োজন হতে পারে। তবে বর্তমানে অনেক পাসপোর্ট অফিসে সরাসরি ছবি তোলা হয়।
৬ থেকে ১৫ বছর: সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা হয়।
২. বাবা-মায়ের উপস্থিতি ও এনআইডি
আবেদন ফর্মে বাবা ও মায়ের নাম এবং এনআইডি নম্বর হুবহু তাদের এনআইডি কার্ড অনুযায়ী দিতে হবে।
আবেদন জমা দেওয়ার সময় বাবা অথবা মা (যেকোনো একজনকে) অবশ্যই সাথে থাকতে হবে।
৩. ফি ও ফরম
আবেদনপত্রের সামারি ও ফরম: অনলাইনে ফরম পূরণ করার পর প্রাপ্ত কপি।
পেমেন্ট স্লিপ: এ-চালানের মাধ্যমে বা ব্যাংকে ফি জমা দেওয়ার মূল রশিদ।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ নিয়ম
| ক্যাটাগরি | পাসপোর্টের মেয়াদ |
| ১৫ বছরের কম বয়সী | শুধু ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট পাবে। |
| ১৫ থেকে ১৮ বছর | ৫ বা ১০ বছর মেয়াদি যেকোনোটি নিতে পারবে। |
সতর্কতা: বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন সনদে বাবা-মায়ের নাম যেন তাদের এনআইডি (NID) কার্ডের সাথে অক্ষরে অক্ষরে মিল থাকে। নাম অমিল থাকলে পাসপোর্ট আবেদনে জটিলতা হতে পারে।
মনে রাখবেন: ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে 'জরুরি' (Express) বা 'অত্যধিক জরুরি' (Super Express) সুবিধা পাওয়া গেলেও পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
আবেদন করার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন
বাবা-মায়ের উপস্থিতি: আবেদন জমা দেওয়ার সময় এবং বায়োমেট্রিক (ছবি ও আঙুলের ছাপ) দেওয়ার দিন বাবা অথবা মা—যেকোনো একজনকে অবশ্যই বাচ্চার সাথে থাকতে হবে।
পেশা: শিশুদের ক্ষেত্রে পেশা হিসেবে 'Student' (যদি স্কুলে পড়ে) অথবা 'Child' উল্লেখ করতে হয়।
স্থায়ী ঠিকানা: বাবা-মায়ের স্থায়ী ঠিকানাই সাধারণত শিশুর স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে গণ্য হয়।
শেষ কথা
বাচ্চার পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিন যে তার জন্ম নিবন্ধনটি অনলাইন ডেটাবেজে আছে কি না। তথ্যে সামান্য ভুল থাকলেও পাসপোর্ট পেতে দেরি হতে পারে।
আপনার যদি কোনো বিষয় জানার থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এইরকম আরো ইন্টারেস্টিং আনকমন সকল বিষয় তথ্য জানতে আমাদের ব্লগ ওয়েবসাইট (বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্লগ) Trick BD Free ( www.TrickBDFree.com ) এর সঙ্গেই থাকুন ।পোস্টে কোথাও ভুল ক্রুটি হলে ক্ষমা করবেন ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ।
