গাজীপুর জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 গাজীপুর জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

আসসালামু আলাইকুম! ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরী) পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত গাজীপুর জেলার সেহরি, ফজরের আযান ও ইফতারের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচী নিচে দেওয়া হলো।


📅 গাজীপুর জেলার রমজান ক্যালেন্ডার ২০২৬

রমজানতারিখসেহরি শেষফজরের আযানইফতার
০১১৯ ফেব৫:১১৫:১৪৫:৫৭
০২২০ ফেব৫:১১৫:১৪৫:৫৮
০৩২১ ফেব৫:১০৫:১৩৫:৫৮
০৪২২ ফেব৫:০৯৫:১২৫:৫৯
০৫২৩ ফেব৫:০৯৫:১২৫:৫৯
০৬২৪ ফেব৫:০৮৫:১১৬:০০
০৭২৫ ফেব৫:০৭৫:১০৬:০০
০৮২৬ ফেব৫:০৬৫:০৯৬:০১
০৯২৭ ফেব৫:০৫৫:০৯৬:০১
১০২৮ ফেব৫:০৫৫:০৮৬:০২
১১০১ মার্চ৫:০৪৫:০৭৬:০২
১২০২ মার্চ৫:০৩৫:০৬৬:০৩
১৩০৩ মার্চ৫:০২৫:০৫৬:০৩
১৪০৪ মার্চ৫:০১৫:০৪৬:০৪
১৫০৫ মার্চ৫:০০৫:০৩৬:০৪
১৬০৬ মার্চ৪:৫৯৫:০৩৬:০৫
১৭০৭ মার্চ৪:৫৮৫:০২৬:০৫
১৮০৮ মার্চ৪:৫৮৫:০১৬:০৬
১৯০৯ মার্চ৪:৫৭৫:০০৬:০৬
২০১০ মার্চ৪:৫৬৪:৫৯৬:০৬
২১১১ মার্চ৪:৫৫৪:৫৮৬:০৭
২২১২ মার্চ৪:৫৪৪:৫৭৬:০৭
২৩১৩ মার্চ৪:৫৩৪:৫৬৬:০৮
২৪১৪ মার্চ৪:৫২৪:৫৫৬:০৮
২৫১৫ মার্চ৪:show৫১৪:৫৪৬:০৯
২৬১৬ মার্চ৪:৫০৪:৫৩৬:০৯
২৭১৭ মার্চ৪:৪৯৪:৫২৬:০৯
২৮১৮ মার্চ৪:৪৮৪:৫১৬:১০
২৯১৯ মার্চ৪:৪৭৪:৫০৬:১০
৩০২০ মার্চ৪:৪৬৪:৪৯৬:১১

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. সেহরির শেষ সময় ও ফজরের আযানের মধ্যে পার্থক্য কেন?

গাজীপুর জেলার পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের সময়ের ব্যবধান সমন্বয় করে এই সময়সূচী তৈরি করা হয়েছে। "সেহরি শেষ" সময়টি সতর্কতামূলকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, এর পরেই সুবহে সাদিক শুরু হয়। তাই নিরাপদ থাকার জন্য আযানের অপেক্ষা না করে সেহরি শেষ সময়ের মধ্যেই খাবার গ্রহণ সম্পন্ন করুন।

২. আযানের সময় কি সেহরি খাওয়া যাবে?

না। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী ক্যালেন্ডারের "সেহরি শেষ" সময়ের মধ্যেই খাবার গ্রহণ শেষ করতে হবে। আযান মূলত নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার সংকেত হিসেবে দেওয়া হয়।

৩. ১লা রমজান কি ১৯শে ফেব্রুয়ারি নিশ্চিত?

এটি সম্পূর্ণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। যদি ১৮ই ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায়, তবে ১৯শে ফেব্রুয়ারি ১ম রোজা হবে। সঠিক তারিখ জানতে রমজানের আগের রাতে চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণা অনুসরণ করুন।

৪. ইফতারের সঠিক সময় কিভাবে বুঝবো?

সূর্যাস্তের সাথে সাথেই ইফতারের সময় শুরু হয়। তালিকায় দেওয়া সময়টি গাজীপুর জেলার পশ্চিম প্রান্তের সূর্যাস্ত অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে পুরো জেলার মানুষ নির্ভুলভাবে ইফতার করতে পারে।


উৎস: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url