ঝিনাইদহ জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬
ঝিনাইদহ জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬
পবিত্র মাহে রমজান ২০২৬ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক নির্ধারিত ঝিনাইদহ জেলার ৩০ দিনের রমজান ক্যালেন্ডার নিচে তুলে ধরা হলো।
ঝিনাইদহ: রমজান ক্যালেন্ডার ২০২৬
| তারিখ | সেহরি শেষ | ফজর আযান | ইফতার |
| ১৯ ফেব (১ম) | ৫:১৬ | ৫:২০ | ৬:০৩ |
| ২০ ফেব (২য়) | ৫:১৬ | ৫:১৯ | ৬:০৪ |
| ২১ ফেব (৩য়) | ৫:১৫ | ৫:১৯ | ৬:০৫ |
| ২২ ফেব (৪র্থ) | ৫:১৪ | ৫:১৮ | ৬:০৫ |
| ২৩ ফেব (৫ম) | ৫:১৪ | ৫:১৭ | ৬:০৬ |
| ২৪ ফেব (৬ষ্ঠ) | ৫:১৩ | ৫:১৭ | ৬:০৬ |
| ২৫ ফেব (৭ম) | ৫:১২ | ৫:১৬ | ৬:০৭ |
| ২৬ ফেব (৮ম) | ৫:১১ | ৫:১৫ | ৬:০৭ |
| ২৭ ফেব (৯ম) | ৫:১১ | ৫:১৪ | ৬:০৮ |
| ২৮ ফেব (১০ম) | ৫:১০ | ৫:১৩ | ৬:০৮ |
| ০১ মার্চ (১১) | ৫:০৯ | ৫:১৩ | ৬:০৯ |
| ০২ মার্চ (১২) | ৫:০৮ | ৫:১২ | ৬:০৯ |
| ০৩ মার্চ (১৩) | ৫:০৭ | ৫:১১ | ৬:০৯ |
| ০৪ মার্চ (১৪) | ৫:০৭ | ৫:১০ | ৬:১০ |
| ০৫ মার্চ (১৫) | ৫:০৬ | ৫:০৯ | ৬:১০ |
| ০৬ মার্চ (১৬) | ৫:০৫ | ৫:০৮ | ৬:১১ |
| ০৭ মার্চ (১৭) | ৫:০৪ | ৫:০৮ | ৬:১১ |
| ০৮ মার্চ (১৮) | ৫:০৩ | ৫:০৭ | ৬:১২ |
| ০৯ মার্চ (১৯) | ৫:০২ | ৫:০৬ | ৬:১২ |
| ১০ মার্চ (২০) | ৫:০১ | ৫:০৫ | ৬:১২ |
| ১১ মার্চ (২১) | ৫:০০ | ৫:০৪ | ৬:১৩ |
| ১২ মার্চ (২২) | ৪:৫৯ | ৫:০৩ | ৬:১৩ |
| ১৩ মার্চ (২৩) | ৪:৫৮ | ৫:০২ | ৬:১৪ |
| ১৪ মার্চ (২৪) | ৪:৫৭ | ৫:০১ | ৬:১৪ |
| ১৫ মার্চ (২৫) | ৪:৫৬ | ৫:০০ | ৬:১৫ |
| ১৬ মার্চ (২৬) | ৪:৫৫ | ৪:৯৯ | ৬:১৫ |
| ১৭ মার্চ (২৭) | ৪:৫৪ | ৪:৫৮ | ৬:১৫ |
| ১৮ মার্চ (২৮) | ৪:৫৩ | ৪:৫৭ | ৬:১৬ |
| ১৯ মার্চ (২৯) | ৪:৫২ | ৪:৫৬ | ৬:১৬ |
| ২০ মার্চ (৩০) | ৪:৫১ | ৪:৫৫ | ৬:১৬ |
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
১. সেহরির শেষ সময়: এটি সুবহে সাদেকের সতর্কতামূলক সময়। এই সময়ের পর আর কিছু খাওয়া যাবে না।
২. ফজরের আযান: সেহরি শেষ হওয়ার ৩ মিনিট পর ফজরের আযানের সময় ধরা হয়েছে।
৩. ইফতারের দোয়া: আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিযকিকা আফতারতু। (হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি)।
জরুরি তথ্য:
১. সেহরির শেষ সময়: ঝিনাইদহ জেলার পূর্ব প্রান্তের সুবহে সাদিকের সময় অনুযায়ী সেহরির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. ফজরের আযান ও ইফতার: জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময় অনুযায়ী ফজরের আযান ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে পুরো জেলার মানুষ নিরাপদভাবে রোজা পালন করতে পারেন।