নতুন পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে? কাগজপত্র কি কি লাগে?

নতুন পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?

ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে ২০২৬ বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য


আস সালামু আলাইকুম ট্রিকবিডিফ্রি.কম এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো নতুন পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে কি কি লাগে, কত দিন লাগে, কি কি কাগজপাতি লাগে বিস্তারিত আলোচনা


বাংলাদেশের ভিতরে ই-পাসপোর্ট ফি ১৫% ভ্যাটসহ নিচে দেওয়া হলো। ডেলিভারির গতির ওপর ভিত্তি করে তিন ধরনের ফি রয়েছে: Regular (২১ কর্মদিবস), Express (১০ কর্মদিবস), এবং Super Express (২ কর্মদিবস)।

১. ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট ফি ২০২৬


পৃষ্ঠার সংখ্যা

ডেলিভারির ধরন

মোট ফি (ভ্যাটসহ)

৪৮ পৃষ্ঠা

নিয়মিত (Regular)

৪,০২৫ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠা

জরুরি (Express)

৬,৩২৫ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠা

অতি জরুরি (Super Express)

৮,৬২৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা

নিয়মিত (Regular)

৬,৩২৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা

জরুরি (Express)

৮,৬২৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা

অতি জরুরি (Super Express)

১২,০৭৫ টাকা


২. ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে ২০২৬

১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের (১৮-৬৫ বছর) জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়।

পৃষ্ঠার সংখ্যা

ডেলিভারির ধরন

মোট ফি (ভ্যাটসহ)

৪৮ পৃষ্ঠা

নিয়মিত (Regular)

৫,৭৫০ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠা

জরুরি (Express)

৮,০৫০ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠা

অতি জরুরি (Super Express)

১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা

নিয়মিত (Regular)

৮,০৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা

জরুরি (Express)

১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা

অতি জরুরি (Super Express)

১৩,৮০০ টাকা


নতুন পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

২০২৬ সালে ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কোনো কাগজ সত্যায়িতো করা লাগবে না। তবে নিচের কাগজপাতিগুলো জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক:

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): ২০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য এনআইডি কার্ড বাধ্যতামূলক।

  • জন্ম নিবন্ধন (BRC): ১৮ বছরের নিচে হলে ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ লাগবে। ১৮-২০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে এনআইডি অথবা জন্ম নিবন্ধন যেকোনো একটি দিলেই হবে।

  • আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি: অনলাইনে আবেদনের পর ডাউনলোড করা ৩-৪ পাতার আবেদন ফরম।

  • পেমেন্ট স্লিপ: ব্যাংক বা অনলাইন পেমেন্টের রসিদ এর ফটোকপি।

  • পেশাগত প্রমাণপত্র: চাকরিজীবী হলে এনওসি (NOC) বা জিও (GO), আর ছাত্র হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড। )

  • পুরাতন পাসপোর্ট: যদি আগে পাসপোর্ট থেকে থাকে, তবে তার মূল কপি ও ফটোকপি।

  • বিবাহিত হলে বিয়ের কাবিননামা।

  • কারিন্টের বিলের কাগজ।

  • নাগরিক ও চারিত্রিক সনদপত্র।

  • ছবি

  • NID Servercopy ( ভোটার আইডি এর ডিজিটাল কপি) যা কম্পিউটার এর দোকানে অথবা নির্বাচন কমিশন অফিসে পাবেন)


পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এবং আবেদনের নিয়ম

পাসপোর্ট আবেদনের প্রক্রিয়া এখন সম্পূর্ণ ডিজিটাল।

১. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন: প্রথমে epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন।

২. আবেদন ফরম পূরণ: আপনার এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী তথ্য প্রদান করে ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করুন।

৩. ফি প্রদান: আপনি বিকাশ, নগদ বা এ-চালানের মাধ্যমে অনলাইনে ফি জমা দিতে পারবেন।এছাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে পারবেন।

৪. অফিস ভিজিট: আবেদনের সারাংশ (Summary), অ্যাপ্লিকেশন ফরম এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আঙুলের ছাপ ও ছবি ফিংগার (Biometric) দিয়ে আসুন।

সর্বশেষ কিছুদিন পরে আপনার ফোনে এসএমএস জাবে আপনার পাসপোর্ট তৈরি হয়েছে, তখন আপনি আপনার এলাকার পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে আসবেন।

✅✅কিছু অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা ✅✅এই খরচের সাথে কম্পিউটার দোকানের খরচ ২০০-৩০০ টাকা লাগতে পারে।এই খরচ বাদে কোনো দালালকে কোনো অতিরিক্ত টাকা দিবেন না।দিলে আপনার পুরোটাই লস।❎❎❎

আপনার যদি কোনো বিষয় জানার থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।পোস্টে কোথাও ভুল ক্রুটি হলে ক্ষমা করবেন ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ।


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url